ফির্কাবাজী, কুফুরী ফতোয়া ও ইসলাম
তৌহীদ হল ইসলামের প্রাণ। আল্লাহ্ এক-অদ্বিতীয় । বিশ্বের সকল মুসলমান পরস্পর ভাই ভাই। মুসলমানরা এক ও অভিন্ন উম্মা বা জাতির সদস্য। তাদের রসূল এক এবং তাদের ধর্মগ্রন্থ আল কোরআনও এক। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই তৌহীদ পন্থী মুসলমানরা আজ শতদলে বিভক্ত। এদের একদল অপর দলকে অমুসলমান ও কাফির জ্ঞান করে।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ
আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত কোন নতুন ধর্মমত নয়। আহমদীয়াত— খাঁটি ইসলামের অপর নাম। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা. ) শেষ যুগে মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এবং হারানো ঈমান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এক মসীহ্ ও ইমাম মাহদী আগমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যাঁর কাজ হবে ইসলামের খাঁটি শিক্ষা পুনরুজ্জীবিত করা।
একটি শান্তির বাণী এবং এক হুঁশিয়ারী
নিলিখ-বিশ্ব আহমদীয়া মুসলিম জামাতের তৃতীয় খলিফা হযরত মির্যা নাসের আহমদ সাহেব (রাহেঃ)-কে সংবর্ধনা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৮শে জুলাই, ১৯৬৭ ইং তারিখে লণ্ডনের ওয়াণ্ডস্ ওয়ার্থ টাউন হলে। এই মহতী সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শহরের লর্ড মেয়র।
একটি সৎ উপদেশ
ফতোয়াবাজির অন্তরালে
ঈসা (আ.)-এর মৃত্যুতেই ইসলামের জীবন
হযরত ঈসা নাসেরী (আ.) কে ইংরেজ তথা খ্রিষ্টানরা খােদার পুত্র খােদারূপে উপাসনা করে । তাদের ত্রিত্ববাদের অন্যতম সেই ‘খােদার’ পুনরাগমনের প্রতীক্ষায় তাদের সঙ্গে বহু মুসলমানও তাকিয়ে আছে শূণ্যে- আকাশের দিকে তবে, তারা সবাই হতাশ হবে।
একেশ্বরবাদী বুদ্ধ
এই বইটি ত্রিপিটকের ২৫ খণ্ডের ৫৯টি বইয়ের উপর গবেষণার ভিত্তিতে লেখা। এতে প্রচলিত ধ্যান-ধারণার বাহিরে আড়াই হাজার বছরের অমানিশায় আচ্ছাদিত কিছু ধ্রুব সত্য উন্মোচনের চেষ্টা করা হয়েছে। এতে প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে-
দোয়াইয়্যাহ্ খাজায়েন (দোয়ার ভান্ডার)
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থান করছে । ফলে বর্তমান শতাব্দীতে মানুষ খােদা নামের এক সত্তার অস্তিত্ব যখন প্রায় ভুলেই বসেছে তখন এ যুগের ইমাম হযরত মির্যা গােলাম আহমদ কাদিয়ানী, ইমাম মাহদী ও মসীহে মাওউদ (আঃ) উদাত্ত কণ্ঠে ঘােষণা করেছেন, ❛ গয়ের মুমকিন কো ইয়ে মুমকিন ম্যা বদল দেতি হ্যায়, আয়ে মেরে ফালসফিও যােরে দোয়া…