আমাদের প্রতি আল্লাহ্ তা’লার অশেষ কৃপা ও অনুগ্রহ যে, তিনি আমাদেরকে মহানবী (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী আবির্ভূত মসীহ্ মওউদ ও ইমাম মাহদী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) -কে শনাক্ত করে মেনে নেবার সৌভাগ্য দান করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ্!
মহান আল্লাহ হযরত মসীহ মওউদ (আ.)-কে ‘সুলতানুল কলম’ বা লেখনী সম্রাট হিসাবে সম্বোধন করেছেন। অসির কার্য তিনি (আ.) মসির দ্বারা সম্পাদন করে এক বিজয়ী জেনারেলরূপে পৃথিবীতে স্বীয় সত্যতার দ্বীপ শিখা জ্বেলে দিয়েছেন।
হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী আলায়হেস্ সালামের আরবি ভাষায় ‘তোহফায়ে বাগদাদ’ (বাগদাদবাসীদের জন্য একটি উপহার) নামক অন্যন্য সাধারণ পুস্তকটি মহরম ১৩১১ হিজরী অর্থাৎ ১৮৯৩ সনের জুলাই মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
“তোহফাতুন নাদওয়া” শিরোনামে পুস্তিকাটি সৈয়্যদনা হযরত আকদস মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী (আ.) ১৯০২ খ্রীষ্টাব্দে রচনা করেছিলেন। পুস্তিকাটির বাংলা অনুবাদ ‘তোহফাতুন নাদওয়া’ শিরোনামে প্রকাশ পাচ্ছে।
হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) ১৯০৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আরবি ভাষায় এই পুস্তকটি রচনা করেন। বিষয়ভিত্তিক আঙ্গিকে পুস্তকটি “আলামাতুল মুকার্রাবিন” পুস্তকটির অংশবিশেষ। এই পুস্তকের মধ্যে হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) ঐশী প্রত্যাদিষ্ট ও প্রেরিতগণের মহান গুণাবলী, তাঁদের উত্তম চরিত্র ও কল্যাণ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
সিররুল খিলাফাহ্’ (খিলাফতের তত্ত্বকথা) পুস্তিকাটি ১৮৯৪ সালের জুলাই মাসে লেখা। এটি মূলত: আরবী পুস্তিকা, তবে শেষের দিকে একটি উর্দু অংশ রয়েছে। প্রাঞ্জল উচ্চাঙ্গের আরবী ভাষায় এই পুস্তিকাটি গদ্য ও পদ্য উভয় ধরণের সাহিত্য সম্ভারে সমৃদ্ধ ।
হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) ‘সিতারায়ে কায়সারা’ (সম্রাজ্ঞীর তারকা) পুস্তিকাটি ১৮৯৯ সালের ২০ আগস্ট রচনা করেন এবং ২৪ আগস্ট তা কাদিয়ান থেকে প্রকাশিত হয়। এ পুস্তিকায় হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) তাঁর পূর্বে লিখিত গ্রন্থ ‘তোহফায়ে কায়সারিয়্যা’ (সম্রাজ্ঞীর উদ্দেশ্যে উপহার)-তে ব্যক্তকৃত একই ভাবনাসমূহ নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছেন।