তাযকেরাতুশ শাহাদাতাইন (দু’জন শহীদ স্মরণে)

ধর্মের ইতিহাসে শাহাদাত বরণ একটি অনন্যসাধারণ অধ্যায়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে কপর্দকহীন সাহাবারা যখন শত্রু আক্রমণ প্রতিহত করতে শাহাদাত বরণের জন্য প্রস্তুত হয়ে যেতেন তখনই বিজয় মুসলমানদের পদচুম্বন করেছে। পবিত্র কুরআনেও আল্লাহ্‌ ধর্মের জন্য মৃত্যুবরণকারীকে ‘জীবিত’ বলেছেন।

তৌযীহে মরাম (ঐশী লক্ষ-বস্তুর বিশ্লেষণ)

হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আ.) তৌযীহে মরাম (ঐশী লক্ষ-বস্তুর বিশ্লেষণ) – পুস্তকটি ১৮৯১ লিখেন। বইটিতে প্রচলিত মুসলিম ও খ্রিস্টানদের এই বিশ্বাসের বিস্তারিত খণ্ডন রয়েছে যে, হযরত ঈসা (আ.)-কে জীবিত অবস্থায় আকাশে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং শেষ জামানায় আবার স্বশরীরে ফিরে আসবেন।

রোয়েদাদ জলসা দোয়া (দোয়ার উদ্দেশ্যে জলসার কার্য-বিবরণী)

হযরত ইমাম মাহদী ও মসীহ্ মওউদ (আ.) ১৯০০ সনের ২ ফেব্রুয়ারি ঈদুল ফিতরের দিনে কাদিয়ানে এক জলসার আয়োজন করেন এবং নামাযের পরে এক ঐতিহাসিক খুতবা দেন। এ খুতবাই ‘রোয়েদাদ জলসা দোয়া’ নামক পুস্তকে সন্নিবেশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ইংরেজ সরকার সে সময় ট্রান্সভাল নামে একটি ছোট রাজ্যের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল।

সবুজ ইশতেহার

হযরত আহমদ (আ.) এমন এক পুত্রসন্তানের জন্মের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, যে অসাধারণ গুণাবলির অধিকারী ও দীর্ঘজীবী হবে। যখন বশির (প্রথম) মারা গেলেন, তখন বিরুদ্ধবাদীরা শোরগোল শুরু করে দিল এই বলে যে, হযরত আহমদ (আ.)-এর প্রতিশ্রুত-পুত্র সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণী মিথ্যা সাব্যস্ত হয়েছে।

সাচ্চায়ী কা ইযহার (সত্যের জয়)

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকের ভারতবর্ষে খ্রিষ্টান মিশনারিরা ইসলাম ধর্মের ওপর প্রতিনিয়ত নিত্যনূতন হামলা করছিল, আবার তখন হিন্দু-আর্য আন্দোলনও মুসলমানদের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়। এছাড়া কিছু মুসলিম আলেমও তাদের হীনস্বার্থে সত্য গোপন করবে আর সত্যের বিরুদ্ধাচরণকে পেশা হিসেবে অবলম্বন করে।

সনাতন ধর্ম

পুস্তিকাটি যুগাবতার হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী আলায়হেস সালাম ১৯০৩ সালে উর্দু ভাষায় প্রণয়ন করেছিলেন, পুস্তিকাটির মধ্যে তিনি কলিযুগের আর্য সমাজের সেইসব নিকৃষ্ট আস্থাগুলির খন্ডন করেছেন যেগুলি ছিল সভ্য সমাজের জন্য কলঙ্কজনক।

সত্যের প্রকাশ

ইসলামের সত্যতাকে বিশ্বব্যাপী সুস্পষ্টরূপে প্রকাশ করতে এবং হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়াসাল্লামের বার্তাকে পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার নিমিত্তে আল্লাহ্ তা’লা তাঁর এক বিশ্বস্ত সেবক হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী মসীহ্ মাওউদ এবং ইমাম মাহদী আলায়হেস সালামকে প্রেরণ করেছেন।

শাহাদাতুল কুরআন (পবিত্র কুরআনের সাক্ষ্য)

এ পুস্তকটির পূর্ণ নাম ‘শাহাদাতুল কুরআন আলা নুযূলিল মাসীহিল মওউদ ফী আখিরি যামান’ অর্থাৎ শেষ যুগে প্রতিশ্রুত মসীহর আগমন সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের সাক্ষ্য।

রসূলে আজম মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর জ্যোতির্ময় গৌরব ও মহিমা

সাইয়্যেদনা ও মওলানা হযরত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহো আলাইহে ওয়া আলেহিওয়াসাল্লাম মানব জাতির পরিত্রাণের জন্য আল্লাহতায়ালার তরফ থেকে শুভ সংবাদ লাভ করে বহু ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন । এই সমস্ত ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতিটি একাদিক্রমে যথাসময়ে পূর্ণ হয়েছে, পূর্ণ হচ্ছে এবং আগামীতেও পূর্ণ হতে থাকবে ।