নিশানে আসমানী (ঐশী নিদর্শনাবলী)

বিধাতার চিরবিধান ক্রম আবর্তন-বিবর্তন, উত্থান-পতন আদিকাল হতে প্রত্যেকটি বস্তুর মাঝে পরিচালিত হচ্ছে। উত্তাল নদ-নদী ও সাগর তরঙ্গও এই সত্য বহন করছে। কেয়ামত অবধি প্রবহমান ও চলমান পরিপূর্ণ ও কামেল ধর্ম ইসলামের অনুসারী মুসলিম জাতির বেলায়ও উক্ত বিধানের ব্যতিক্রম ঘটে নি ও ঘটবেনা।

নূরুল কুরআন (প্রথম খন্ড)

এ পুস্তকে হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ. ) আল্লাহ্ প্রদত্ত ঐশী ও জীবন্ত কিতাবের কি বৈশিষ্ট্যাবলী থাকা উচিত এ বিষয়ে আলোকপাত করেন। কুরআন শরীফ আল্লাহ্ প্রদত্ত ঐশী ও জীবন্তকিতাব এ প্রসঙ্গে যুক্তি প্রমাণ তুলে ধরেন।

পয়গামে সুলেহ্‌ (শান্তির বার্তা)

আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা প্রতিশ্রুত ও ইমাম মাহদী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ. ) ১৯০৮ সালে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। তাঁর মৃত্যুর দু’দিন পূর্বে তিনি পয়গামে সুলেহ্ (শান্তির বার্তা) নামক এ পুস্তিকাটি উর্দুতে লেখেন । এটাই তাঁর জীবনের শেষ লেখা।

কিশ্‌তিয়ে-নূহ্‌

হযরত নূহ (আ.)-এর যুগে অবক্ষয়ে ডুবন্ত ও আযাবের মহাপ্লাবনে আক্রান্ত মানুষকে রক্ষা করার জন্য আল্লাহ্ তা’লা তাঁহাকে যে কিশতির (নৌকা) মাধ্যমে সহায়তা করিয়াছিলেন তাহা মানব সমাজে কিতিয়ে ‘ নূহ ’ নামে বিখ্যাত হইয়া আছে। বর্তমান যুগেও মানুষ চূড়ান্ত অবক্ষয়ে নিমজ্জিত হইয়া পড়িয়াছে।

লেকচার লাহোর – ইসলাম ও এদেশের অন্যান্য ধর্মমত

লেকচার লাহোর (ইসলাম ও এদেশের অন্যান্য ধর্মমত) এটা হযরত ইমাম মাহদী (আ.)-এর একটি বক্তৃতা যা ৩রা সেপ্টেম্বর ১৯০৪ইং সনে লাহোরে একটি বিরাট জনসমাবেশে পাঠ করা হয়। এটি ‘ লেকচার লাহোর’ নামেও প্রসিদ্ধ।

লেকচার লুধিয়ানা

হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.) বক্তৃতাটি ১৯০৫ সালের ৪ঠা নভেম্বরে তৎকালীন অবিভক্ত ভারতবর্ষের পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত লুধিয়ানা শহরে হাজার হাজার শ্রোতার উপস্থিতিতে উর্দু ভাষায় প্রদান করেন। তাঁর এ বক্তৃতাটি ‘লেকচার লুধিয়ানা’ নামে পুস্তকাকারে প্রকাশ করা হয়।

মসীহ হিন্দুস্তান মে (ভারতবর্ষে ঈসা)

‘মসীহ হিন্দুস্তান মে’ [ভারতবর্ষে ঈসা (আঃ)] গ্রন্থটি প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) এপ্রিল, ১৮৯৯ ইং সালে প্রণয়ন করেন। পবিত্র হাদীস অনুযায়ী প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমনের একমহান উদ্দেশ্য হলো ‘কাস্ত্রে-সলীব’ তথা প্রচলিত খ্রীষ্টধর্মের ভিত্তিমূল ক্রুশীয় বিশ্বাসকে খন্ডন করা ।

মিয়ারুল মাযাহিব (ধর্ম যাচাইয়ের মানদণ্ড)

‘ধর্ম যাচাইয়ের মানদণ্ড’ পুস্তিকাটি ১৮৯৫ সালে হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) কর্তৃক রচিত ‘মিয়ারুল মাযাহিব’ -এর বাংলা অনুবাদ । এতে হিন্দুধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম এবং ইসলাম- এই তিনটি প্রধান ধর্মের একটি বিস্তারিত তুলনা করা হয়েছে।

ইযালায়ে আওহাম (সন্দেহ-সংশয় নিরসন) – ১ম অংশ

আল্লাহ্ তা’লার অশেষ কৃপায় আমরা বাংলা ভাষায় হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) -এর বিভিন্ন পুস্তক প্রকাশের সৌভাগ্য লাভ করে থাকি । এরই ধারাবাহিকতায় তবলীগের ময়দানে অত্যন্ত কার্যকরী তাঁর যুগান্তকারী পুস্তক ‘ইযালায়ে আওহাম’ পুস্তকটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে । এটি হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.)-এর দাবির পর একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের পুস্তক ।