আগমনকারী প্রতিশ্রুত মসীহ্ হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) তাঁর দাবীর সত্যায়নে বিভিন্ন পুস্তক ও রচনাবলীতে যে সমস্ত জায়গায় আল্লাহতা’লার কসম খেয়েছেন, জামাত আহমদীয়া সেকেন্দ্রাবাদ-এর সেক্রেটারী তবলীগ ও তরবিয়ত জনাব বশীরুদ্দিন আলাহ্দ্বীন সাহেব তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সেগুলিকে খোদাভীরু মানুষদের উদ্দেশ্যে একত্রীতক…
আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত- এর পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা এই পুস্তকটি উর্দুতে ২২ জুন ১৮৯৭ সালে প্রকাশ করেন। সিরাজ উদ্দীন নামক একজন খ্রিস্টান ব্যক্তি যে লাহোরের এফ.সি কলেজের প্রফেসর ছিল । প্রথমে মুসলমান ছিল কিন্তু পাদ্রীদের সাথে ওঠাবসা এবং তাদের যুক্তির ফাঁদে পড়ে খ্রিস্টান হয়ে যায়।
হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) প্রণীত “গুনাহ্ সে নাজাত কিউকার মিল সাকতি হ্যায়?” (কীভাবে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?) শীর্ষক প্রবন্ধটি জানুয়ারি ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে কাদিয়ানে “রিভিউ অব রিলিজিয়ন্স” (উর্দু) পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
এ পুস্তিকায় মাহ্দী ও মসীহ্ হওয়ার দাবীকারক হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.)-এর প্রায় নব্বই খানা পুস্তকের বিষয়াবলীর এক ঝলক উপস্থাপিত হয়েছে।
প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.) ১৮৩৫ সনে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাদিয়ান নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আজীবন পবিত্র কুরআন-এর গবেষণা ও মাহাত্ম অনুসন্ধান, দোয়া ও একান্ত ধর্মপরায়ণ জীবন যাপন করেন।
২রা নভেম্বর, ১৯০৪ খ্রীষ্টাব্দে সিয়ালকোটে এক বিশাল জনসভায় হযরত মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) একটি ঐতিহাসিক বক্তৃতা প্রদান করেন। এর শিরোনাম ছিল ‘ইসলাম’ । পরবর্তীতে এটাই লেকচার সিয়ালকোট নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে এবং ‘রূহানী খাযায়েনের’ ২০তম খন্ডে সন্নিবেশিত হয়।
হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক কাল (১৮৭৮ ইং) থেকেই ইসলামের সমর্থনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চিঠি লিখতেন। পরবর্তীতে তাঁর এ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক কাল (১৮৭৮ ইং) থেকেই ইসলামের সমর্থনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চিঠি লিখতেন। পরবর্তীতে তাঁর এ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ ধর্ম যা কেয়ামত পর্যন্ত চলবে। এজন্যে যখনই এ ধর্মে কোন অধঃপতন ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে তখন তা দূরীভূত করার জন্যে ইসলামে ব্যবস্থা রয়েছে। এ ধারায় হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের অন্তর্ধানের পরে খিলাফত ব্যবস্থা ও এর পরে মুজাদ্দিগণের ধারাবাহিকতার কথা বলে গেছেন নবী করীম (সঃ)।
হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক কাল (১৮৭৮ ইং) থেকেই ইসলামের সমর্থনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চিঠি লিখতেন। পরবর্তীতে তাঁর এ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে।