ইমাম মাহদী (আ.)-এর পত্রাবলী (মকতুবাতে আহ্‌মদ) দ্বিতীয় খন্ড প্রথম অধ্যায় হযরত মাওলানা হাকীম নূরুদ্দীন খলীফাতুল মসীহ্‌ আউয়াল (রা.)-এর নামে

হযরত ইমাম মাহ্‌দী (আ.) তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক কাল (১৮৭৮ ইং) থেকেই ইসলামের সমর্থনে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় চিঠি লিখতেন। পরবর্তীতে তাঁর এ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে রচিত ‘ফতেহ্ ইসলাম’ পুস্তকে তিনি লিখেছেন:

হাকীকাতুল ওহী (ওহীর প্রকৃত তাৎপর্য)

হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আ.) তাঁর সত্যতার জীবন্ত নিদর্শনাবলীসমূহ উল্লেখ্য করেছেন। তাঁর জীবনের হাজার হাজার নিদর্শনের মধ্যে এ গ্রন্থে তিনি ২০৮টি নিদর্শনের বর্ণনা দিয়াছেন। প্রত্যেকটি নিদর্শন তাহার সত্যতার অকাট্য প্রমাণ। (এটি বঙ্গানুবাদের ১ম খণ্ড – ১৮৭টি নিদর্শনাবলী সন্নিবেশিত রয়েছে)

হামামাতুল বুশরা (সুসংবাদবাহী পায়রা)

হযরত আকদাস মসীহ মাওউদ ও ইমাম মাহদী (আ.) পবিত্র মক্কা নিবাসী তার এক শিষ্যের মাধ্যমে সন্ত্রান্ত ও শিক্ষিত আরবদের মাঝে তার আগমন বার্তা ও এর স্বপক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ লাভ করেন। এই উদ্দেশ্যে ১৮৯৩ সনে অর্থাৎ তার জামাত প্রতিষ্ঠার প্রারম্ভিক যুগেই ‘হামামাতুল বুশরা গ্রন্থটি আরবীতে রচনা করেন।

দাফেউল বালা (বালা মুসিবত প্রতিরোধক)

হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ. ) আল্লাহ্ তা’লার পক্ষ হতে মানবজাতির মুক্তির জন্য আবির্ভূত হয়েছেন । মানবজাতিআজ চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন । হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) কে অমান্য করার কারণে আজ আল্লাহ তা’লা নারাজ হয়েছেন । হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ. )-এর সত্যতা প্রমাণের জন্য আল্লাহ্ তা’লা অনেক বড় বড় নিদর্শন দেখিয়েছেন ।

আহ্‌মদীয়া জামাতের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতার দৃষ্টিতে একজন আদর্শ আহ্‌মদী

বিগত হাজার বছর ধরে মুসলমানদের মধ্যেইসলামের সত্যিকারের শিক্ষা ও আদর্শ যেভাবে বিলীন হয়ে যাচ্ছিলো এবং মুসলমানগণ অবক্ষয়ের প্রবল স্রোতে যেভাবে হাবুডুবু খাচ্ছিলো তাত্থেকে মুসলমানদের উদ্ধারকল্পে মহানবী হযরত মুহাম্মদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের আধ্যাত্মিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে তাঁর প্রিয় উম্মতের সংশোধনকল্পে…

একজন খ্রীষ্টানের তিনটি প্রশ্নের উত্তর

হযরত মসীহ্ মাওউদ আলায়হেস সালাম রচিত “একজন খ্রীষ্টানের তিনটি প্রশ্নের উত্তর” পুস্তকটির বাংলা অনুবাদ মাওলানা আহমদ সাদেক মাহমুদ মুরব্বী সিলসিলাহ (অব.) বাংলাদেশ করেছেন। পুস্তকটির অনুবাদ সর্বপ্রথম বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিতগ্রন্থ “ মকতুবাতে আহমদ প্রথম খন্ড ” এর মধ্যে সংকলিত আকারে প্রকাশিত হয়।

একটি ভুল সংশোধন (এক গলতি কা ইযালা)

হযরত মসীহ্ মাওউদ (আ.) -এর এই ছোট্ট পুস্তিকাটি ৫ নভেম্বর ১৯০১ সালে বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়েছিল । এটি প্রকাশের কারণ স্বয়ং মসীহ্ মাওউদ (আ. ) এই পুস্তিকায় এভাবে বর্ণনা করেন-

ফতেহ্‌ ইসলাম (ইসলামের বিজয়)

আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা প্রতিশ্রুত ইমাম মাহ্দী হযরত মির্যা গােলাম আহমদ (আ .) ১৩০৮ হিজরীতে ‘ফতেহ্ ইসলাম’ (ইসলামের বিজয়) নামে উর্দুতে একটি পুস্তক প্রণয়ন করেন।

হাকীকাতুল মাহ্‌দী (মাহ্‌দীর তাৎপর্য)

হযরত মির্যা গােলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ.) যখন ইমাম মাহদী হবার দাবী করেন তখন মৌলভী মুহাম্মদ হােসেন বাটালবী সাহেব তকালীন ইংরেজ শাসকের নিকট অভিযােগ করেন যে, মির্যা সাহেব মাহদীর ব্যাপারে এমন বিশ্বাস পােষণ করেন যা ইংরেজ সরকারের জন্য ক্ষতিকর। তাই ইংরেজ সরকার যেন সরকার বিরােধী এই ক্ষতিকারক ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়।