বাটালবী এবং চকড়ালবীর বিতর্কের পর্যালোচনা

“রিভিউ বর মোবাহিসা বাটালবী ও চকড়ালবী” শিরোনামে পুস্তিকাটি সৈয়্যদনা হযরত আকদস মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী (আ. )১৯০২ খ্রীষ্টাব্দে রচনা করেছিলেন। পুস্তিকাটির বাংলা অনুবাদ ‘বাটালবী এবং চকড়ালবীর বিতর্কের পর্যালোচনা’ শিরোনামে প্রকাশ পাচ্ছে।

চশমায়ে মসীহি (খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব)

পাদ্রীগণ সুদূর ইউরোপ আমেরিকা হতে এদেশে এসে ইসলাম ধর্মকে ভীষণভাবে আক্রমণ করেছে এবং এর বিরুদ্ধে লাখো লাখো পুস্তক-পুস্তিকা প্রচার করেছে কিন্তু এগুলোর উপযুক্ত যুক্তিসঙ্গত ও হৃদয়গ্রাহী উত্তর পূর্ণ ও যথেষ্টসংখ্যক পুস্তক-পুস্তিকার প্রচার এবং ত্রিত্ববাদী খ্রিষ্টান ধর্মের উপর বিমল জ্যোতির্ময় একত্ববাদী ইসলাম ধর্মের পাল্টা আক্রমণ…

বারাহীনে আহমদীয়া – ৫ম খণ্ড

হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) তাঁর দাবির পূর্বে মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী আল-কুরআন ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর সত্যতা আর ইসলাম যে খোদা-মনোনীত সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ ধর্ম তা প্রমাণের উদ্দেশ্যে পঞ্চাশটি খণ্ডের সমন্বয়ে একটি বই লেখার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন ।

বারাকাতুদ্‌দোয়া (দোয়ার কল্যাণসমূহ)

“বারাকাতুদোয়া” পুস্তিকাখানি রচনা করেন ১৮৯৩ খৃষ্টাব্দে প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও মাহ্দী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আঃ) । তখন সময়টা ছিল ইসলামের জন্য অত্যন্ত নাজুক। পশ্চিমা ভাবধারা তখন বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করিয়াছে, চারিদিকে সাড়া জাগাইয়াছে। এর ঢেউ ইসলামেও অনুপ্রেবেশ করিতে শুরু করিয়াছে।

বারাহীনে আহমদীয়া – ৩য় খণ্ড

এই পুস্তকটি আল-কুরআন ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়্যতের সত্যতার স্বপক্ষে অকাট্য যুক্তি-প্রমাণে সমৃদ্ধ এবং অন্যান্য সকল ধর্ম-বিশ্বাসের উপর ইসলামের সত্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের অখণ্ডনীয় যুক্তিনির্ভর দলিলে পরিপুষ্ট।

বারাহীনে আহমদীয়া – ৪র্থ খণ্ড

হযরত মির্যা গোলাম আহমদ, প্রতিশ্রুত মসীহ্ ও মাহদী (আ.) ১৮৮৪ সালে বারাহীনে আহমদীয়া পুস্তকের ৪র্থ খণ্ড প্রকাশ করেন যা বারাহীনে আহমদীয়ার ৩য় খণ্ড প্রকাশের ২ বছর পর প্রকাশিত হয়।

আল্‌ ওসীয়্যত

হযরত মির্যা গোলাম আহ্‌মদ (আ.) ১৯০৫ সালে ‘আল- ওসীয়ত’ পুস্তিকাটি রচনা করেন। এতে তিনি (আ.) আল্লাহ্ তা’লার পক্ষ থেকে ইলহাম লাভের মাধ্যমে জামা’তের সদস্যদের এভাবে আশ্বস্ত করেন, আল্লাহ্ তা’লার চিরাচরিত রীতি হলো তিনি দুটি কুদরত দেখিয়ে থাকেন।

আল্লাহ্‌ ও তাঁর গুণাবলী

খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে, সাধারণতঃ, মানুষ ধর্মের প্রতি উদাসীন হতে থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে মানুষ ধর্মকে অধর্মে রূপান্তরিত করে। এই শতকের মাঝামাঝি এসে মানুষ ধর্মকে বিদায় দেয়। মানুষ বলতে থাকে, খোদা মরে গেছে। খোদা নেই। অথচ, মানবাত্মা এই প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্ট যে, সে স্বীকার করবে, আনুগত্য করবে।

আমাদের ধর্ম বিশ্বাস

আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের পবিত্র প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.) -এর লেখার আলোকে

আমাদের শিক্ষা

প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ.) ১৮৩৫ সনে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাদিয়ান নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আজীবন পবিত্র কুরআন-এর গবেষণা ও মাহাত্ম অনুসন্ধান, দোয়া ও একান্ত ধর্মপরায়ণ জীবন যাপন করেন।